বাংলাদেশের সংবিধানে লেখা আছে, রাষ্ট্রের কোনো চাকরিতে নারী–পুরুষ সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে; বাস্তবে অফিসের দরজা পেরোতে গিয়েই নারীদের সামনে
জুলাই বিপ্লবের এক বছর পরের বাংলাদেশে রাস্তাগুলো এখন যেন নতুন এক আদালত, যেখানে বিচারকের চেয়ারে বসেছে “তওহিদি জনতা”, আর আসামির
৩ মে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যে জনসমুদ্র দেখা গেল তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল নারীদের অধিকার আর মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধের
এপ্রিলের শেষ দিকে ঢাকার কাকরাইলে এক বৈঠক শেষে হেফাজতে ইসলাম যে পাঁচ দফা দাবি ঘোষণা করল তার কেন্দ্রে ছিল একটি
জানুয়ারির শীতের দুপুরে জয়পুরহাটের এক গ্রামীণ মাঠে কয়েক ডজন মেয়ে জার্সি গায়ে বল পায়ে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, হঠাৎই মাইক থেকে
ধর্ষণ আর গৃহহিংসার খবরে দেশ যখন প্রায় অসাড়, তখন একদল মেয়ে ঠিক করল যে তারা আর কাঁদতে নয়, রাগ নিয়ে
২০২৪ জুড়ে হিজাব আর “শালীন পোশাক” নিয়ে যে তর্কটা চলছে তার কেন্দ্রে আসলে নারীর ইচ্ছা না বরং পুরুষের চোখ আর
বাঁকানো পাহাড়ি রাস্তা, ঝুমচাষের ঢাল, ছোট ছোট বম গ্রাম, আর তার ঠিক পাশেই ব্যাংকের লোহার সেফ ভেঙে বেরিয়ে আসা নোটের
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৩ বছর পূর্তিতে টেলিভিশনের পর্দায় যখন আতশবাজি, শোভাযাত্রা, উন্নয়নের পরিসংখ্যানের ঝলকানি চলছিল, তখন দেশের লাখো নারীর জীবনের বাস্তবতা
২০২৪ সালের জানুয়ারি শুরু হয়েছিল নির্বাচনী উত্তাপ আর রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই কিন্তু সাধারণ বাংলাদেশি মেয়েদের জন্য ভোরের দৃশ্যটা খুব একটা