সর্বশেষ লেখা

বাংলাদেশে সমকামীদের জীবন যেন এক অদৃশ্য কারাগারে আবদ্ধ

বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও ভেতরে তারা প্রতিদিন ভয়, লজ্জা আর অস্বীকৃতির সঙ্গে লড়াই করে। আমি একজন বাইসেক্সুয়াল নারী

Read More »
image

বাউল আবুল সরকারের গলা টিপে কি সত্যিই আল্লাহকে রক্ষা করা যায়?

৪ নভেম্বর, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ঝাবড়া এলাকার খালা পাগলী মেলার মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাউল শিল্পী আবুল সরকার, যার নামের আগে অনেকে

image

স্কুলে গান নিষিদ্ধ, আমরা কি তবে তোতাপাখি তৈরির কারখানায় ফিরছি?

যে দেশে শিশুদের হাসি, গান, ছুটোছুটি, মাঠে দৌড়ানো, শারীরিক খেলাধুলা – এই সবকিছুর ওপর ভর করে ভবিষ্যৎ দাঁড়িয়ে থাকার কথা,

image

মব জাস্টিস যখন ‘নিউ নরমাল’

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার এক বছরের মাথায় অক্টোবরে যে হিসাব সামনে এসেছে তা ভয়ঙ্কর। জানুয়ারি থেকে অক্টোবর ২০২৫ এই দশ

image

সমতা শুধু আইনের বইতেই, বাস্তবে কর্মক্ষেত্রে নারী ও কুইয়ারদের প্রতি বৈষম্যের অদৃশ্য দেয়াল

বাংলাদেশের সংবিধানে লেখা আছে, রাষ্ট্রের কোনো চাকরিতে নারী–পুরুষ সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে; বাস্তবে অফিসের দরজা পেরোতে গিয়েই নারীদের সামনে

IMG-5979

সমকামিতা নিয়ে গণমাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীন প্রচার

আগস্টের শুরুতে কয়েকটি টিভি টকশো আর অনলাইন পোর্টাল যে ভাষায় কুইয়ার মানুষদের নিয়ে কথা বলতে শুরু করল তা যেন আগুনে

image

বিপ্লবের এক বছর শেসে কি আমরা কি আদৌ বৈষম্যহীন?

জুলাই বিপ্লবের এক বছর পার হয়ে গেলেও বাংলাদেশ যে প্রতিশ্রুত “বৈষম্যহীন দেশ” হতে পারেনি সেটা এখন আর কেবল ব্যক্তিগত অনুভূতি

আমার কথা

আমি দৃষ্টি দে, একজন মুক্তমনা বাঙালি নারীবাদী লেখক ও ব্লগার। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিন থেকে এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আমার লেখালেখির যাত্রা শুরু। আমার কলম চলে সমাজের সেইসব অসংগতি ও কাঠিন্য নিয়ে, যা আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে।

আমি লিখতে শুরু করেছি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে।  খুব ছোট ছোট ব্যক্তিগত নোট থেকে ধীরে ধীরে এই লেখালেখি আমার শ্বাস নেওয়ার জায়গা হয়ে উঠেছে।

জন্মেছি এমন এক সমাজে যেখানে নারীর শরীর, ভালবাসা আর জীবনের দিকনির্দেশ সবসময় অন্য কেউ ঠিক করে দিতে চেয়েছে। আমি দেখেছি  প্রতিদিন কত নারী নীরবে সহ্য করে সংসারের সহিংসতা, হয়রানি, বিয়ের বাজারে পণ আর পাত্রের দরদাম, কর্মক্ষেত্রে অবমূল্যায়ন, রাস্তায় বেরোলেই কটু দৃষ্টি আর মন্তব্যের ছুরি। আমার লেখায় তাই বারবার ফিরে আসে নারীর কথা, কেন আমরা এখনও দ্বিতীয় শ্রেণীর মানুষ হয়ে বেঁচে থাকব?  কেন আমাদের স্বপ্নের ওপর পুরুষতান্ত্রিক সমাজের ছুরি চলবে?  সেই প্রশ্ন তুলে আমার লেখালেখি চালিয়ে যেতে চাই।

আমি একজন উন্মুক্তভাবে স্বীকার করা বাইসেক্সুয়াল মানুষ। আমার পরিচয় প্রকাশ করার আগে নিজের ভেতরের টানাপোড়েন, ভয়, অপরাধবোধ আর গিল্ট আমাকে ভেঙে দিত নিজের পরিচয়কে ভাষা না দিতে পারার কষ্ট। আমি খুব কাছ থেকে চিনেছি আমার নিজেকে। তাই আমার লেখা জুড়ে থাকে সমকামী, উভকামী, ট্রান্স ও নানা রকম যৌন পরিচয়ের মানুষের কথা, তাঁদের মনের অনুভূতি। এই সমাজে তারা কেমন করে অদৃশ্য হয়ে বেঁচে থাকে, পরিবারে কীভাবে অগ্রাহ্য বা বহিষ্কৃত হয়, রাস্তায় ও কর্মক্ষেত্রে কীভাবে ভয় নিয়ে দিন কাটায়, “পাপী” আর “অস্বাভাবিক” তকমা গায়ে নিয়েও কীভাবে ভালোবাসতে শেখে, আমি লিখি সেই লজ্জা আর ভয়ের বিপরীতে আত্মমর্যাদা আর ভালবাসার পক্ষে।