জুলাইয়ের সেই দিনগুলোতে বাংলাদেশ একসাথে দুইভাবে অন্ধকারে ডুবে গিয়েছিল। একদিকে রাস্তায় পড়ছিল ছাত্রদের রক্ত, অন্যদিকে আকাশের অদৃশ্য তারগুলো দিয়ে বয়ে
১৬ জুলাই ২০২৪, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে তপ্ত দুপুর। কোটা–বিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করছিল, হঠাৎ পুলিশ
ধর্ষণ আর গৃহহিংসার খবরে দেশ যখন প্রায় অসাড়, তখন একদল মেয়ে ঠিক করল যে তারা আর কাঁদতে নয়, রাগ নিয়ে
বাঁকানো পাহাড়ি রাস্তা, ঝুমচাষের ঢাল, ছোট ছোট বম গ্রাম, আর তার ঠিক পাশেই ব্যাংকের লোহার সেফ ভেঙে বেরিয়ে আসা নোটের
বাংলাদেশে বড়দিনের উৎসব কি শুধু গির্জার ঝলমলে রঙ আর কেক–পাইয়ের উল্লাস? নাকি, ডিসেম্বরের বাতাসে ঢাকঢোলের সাথে মিশে থাকে নিঃশব্দ আতঙ্ক,
বাংলাদেশে দুর্গাপূজা এলেই এখন হালকা কাঁপুনি ধরে, শুধু ঢাকায় বসে থাকা হিন্দুদের নয়, দূরে বসে থাকা আমাদেরও। যে উৎসব এক
গাজীপুরের সেই রাস্তা আরেকবার রক্তাক্ত হল, এবার আঞ্জুয়ারা খাতুনের শরীর দিয়ে। আঞ্জুয়ারা, মাত্র ২৩–২৮ বছর বয়সী এক সেলাই মেশিন অপারেটর,
যে দেশে আইনের নাম শুনলেই মানুষের গায়ে কাঁটা দেয়, সেখানে আইন বদলানো মানে কি সত্যিই স্বস্তির নিঃশ্বাস, নাকি নতুন করে
আমরা কি সত্যিই বিশ্বাস করি, শুধু নারী হওয়া মানেই সে নারীর পক্ষের মানুষ? পিতৃতন্ত্রের এই দেশটাতে কতদিন ধরে শুনে আসছি,
একটা রাষ্ট্র কতটা আত্মবিশ্বাসহীন হলে নিজের নাগরিকের মানবাধিকার লঙ্ঘনের নথি রাখা সংগঠনকে থামিয়ে দিতে চায়? বাংলাদেশে অধিকার নামটা অনেকের কাছেই