৪ নভেম্বর, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ঝাবড়া এলাকার খালা পাগলী মেলার মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাউল শিল্পী আবুল সরকার, যার নামের আগে অনেকে
যে দেশে শিশুদের হাসি, গান, ছুটোছুটি, মাঠে দৌড়ানো, শারীরিক খেলাধুলা – এই সবকিছুর ওপর ভর করে ভবিষ্যৎ দাঁড়িয়ে থাকার কথা,
অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার এক বছরের মাথায় অক্টোবরে যে হিসাব সামনে এসেছে তা ভয়ঙ্কর। জানুয়ারি থেকে অক্টোবর ২০২৫ এই দশ
জুলাই বিপ্লবের এক বছর পার হয়ে গেলেও বাংলাদেশ যে প্রতিশ্রুত “বৈষম্যহীন দেশ” হতে পারেনি সেটা এখন আর কেবল ব্যক্তিগত অনুভূতি
১ জুন ২০২৫ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যখন আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার বিচার গ্রহণ করল তখন দেশের এক অংশের চোখে
জুলাই বিপ্লবের পর অনেকেই ভেবেছিলেন ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন আর সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মতো কালা আইন অবশেষে অতীত হবে। অন্তর্বর্তী সরকারও
একুশে ফেব্রুয়ারি ভোরে আমরা সাধারণত যেসব ছবি দেখতে অভ্যস্ত তা হল খালি পায়ে সারি বেঁধে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া সাদা
হাসিনার পতনের ঠিক পরের কয়েক সপ্তাহ যেন এক উল্টোদিকের ঝড়। যে ছাত্ররা জুলাই–আগস্টে রাষ্ট্রের গুলির সামনে বুক পেতে দাঁড়িয়েছিল, তাদেরই
৫ আগস্টের উন্মাদ আনন্দের ঢেউ থামার আগেই ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের এক গলিতে আগুনের লেলিহান শিখা আমাদেরকে অন্য এক বাস্তবতায়
৫ আগস্ট ২০২৪, দুপুর আড়াইটার সামান্য আগে বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশে এক অদ্ভুত নীরবতা নেমে এলো। তিন সপ্তাহের রক্তক্ষয়ী ছাত্র আন্দোলন,