আমরা কি সত্যিই বিশ্বাস করি, শুধু নারী হওয়া মানেই সে নারীর পক্ষের মানুষ? পিতৃতন্ত্রের এই দেশটাতে কতদিন ধরে শুনে আসছি,
একটা রাষ্ট্র কতটা আত্মবিশ্বাসহীন হলে নিজের নাগরিকের মানবাধিকার লঙ্ঘনের নথি রাখা সংগঠনকে থামিয়ে দিতে চায়? বাংলাদেশে অধিকার নামটা অনেকের কাছেই
কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোর ছবি দেখলে কখনও কখনও মনে হয়, মানুষ যেন এখানে জন্মগতভাবেই অপরাধী। একই রঙের টিনের চাল, বাঁশের দেয়াল, গোঁড়ালির
উন্নয়নের এই দেশে যখন মেট্রোরেল চলাচল করছে, ফ্লাইওভারের উপর গাড়ির লাইন বেড়ে যাচ্ছে, বিদেশি বিনিয়োগের খবর সংবাদের প্রথম পাতায়, তখন
চট্টগ্রাম হিলট্র্যাক্টসের খবর আমাদের সমতলের সংবাদপত্রে খুব কমই জায়গা পায়। পাহাড়ে মানুষ মারা যায়, পাহাড়ে নারী ধর্ষণের শিকার হয়, পাহাড়ে
দেশটা কখন যেন এমন হয়ে গেল, যেখানে পেটে ভাত না থাকার কষ্টটা বলাটাই রাষ্ট্রদ্রোহ হয়ে দাঁড়ায়। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেরও বেশি
আমি বারবার ভাবি, রাষ্ট্রের হাতে আমাদের কতটা নিরাপত্তা থাকার কথা ছিল? অথচ সুলতানা জেসমিনের মৃত্যু দেখতে দেখতে, নিজের দেশ দেখে
একুশের বইমেলা, শব্দটা শুনলেই বুকের মধ্যে একটা আলাদা কম্পন জেগে ওঠে। ছোটবেলায় টেলিভিশনের পর্দায় যে সাদা তাঁবুগুলো দেখতাম, বইয়ের পৃষ্ঠা
ক্ষমতাসীনদের বহুবছরের ক্ষমতার বদমায়েশি নিয়ে প্রশ্ন তোলে, সরাসরি গায়ে হাত না দিয়ে আইনের ক্লজ খুলে তাকে অপরাধী বানানো যায়। পুলিশের
ধর্মকে আমরা অনেক সময় নৈতিকতা, পবিত্রতা ও মানবিকতার প্রতীক হিসেবে দেখি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ইতিহাস জুড়ে ধর্ম বহুবার নিপীড়নের হাতিয়ার