বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৩ বছর পূর্তিতে টেলিভিশনের পর্দায় যখন আতশবাজি, শোভাযাত্রা, উন্নয়নের পরিসংখ্যানের ঝলকানি চলছিল, তখন দেশের লাখো নারীর জীবনের বাস্তবতা
একটা দেশের ভবিষ্যত বদলাতে চাইলে তার পাঠ্যবইতে হাত দিলেই হয়, এটা মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলো অনেক আগেই শিখে গেছে। “শরীফা’র গল্প” নিয়ে
৭ জানুয়ারি ২০২৪–এর সকালে ঢাকার আকাশটা অন্য সব ভোটের দিনের মতোই কুয়াশাচ্ছন্ন ছিল, কিন্তু বাতাসে ছিল এক অদ্ভুত শূন্যতা। স্কুল
২০২৪ সালের জানুয়ারি শুরু হয়েছিল নির্বাচনী উত্তাপ আর রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই কিন্তু সাধারণ বাংলাদেশি মেয়েদের জন্য ভোরের দৃশ্যটা খুব একটা
বাংলাদেশে বড়দিনের উৎসব কি শুধু গির্জার ঝলমলে রঙ আর কেক–পাইয়ের উল্লাস? নাকি, ডিসেম্বরের বাতাসে ঢাকঢোলের সাথে মিশে থাকে নিঃশব্দ আতঙ্ক,
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ঘটনা দেখে বুকের ভেতর এক ধরনের বমি আসা ঘৃণা আর ক্লান্তি একসাথে জমে ওঠে। হোচেমিন ইসলাম, একজন
বাংলাদেশে দুর্গাপূজা এলেই এখন হালকা কাঁপুনি ধরে, শুধু ঢাকায় বসে থাকা হিন্দুদের নয়, দূরে বসে থাকা আমাদেরও। যে উৎসব এক
গাজীপুরের সেই রাস্তা আরেকবার রক্তাক্ত হল, এবার আঞ্জুয়ারা খাতুনের শরীর দিয়ে। আঞ্জুয়ারা, মাত্র ২৩–২৮ বছর বয়সী এক সেলাই মেশিন অপারেটর,
কাউকে ভালোবাসা কি সত্যিই অপরাধ হতে পারে? যুক্তি দিয়ে ভাবলে উত্তরটা সহজ, না। কিন্তু বাংলাদেশ নামের এই রাষ্ট্র, তার উপনিবেশিক
যে দেশে আইনের নাম শুনলেই মানুষের গায়ে কাঁটা দেয়, সেখানে আইন বদলানো মানে কি সত্যিই স্বস্তির নিঃশ্বাস, নাকি নতুন করে