বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও ভেতরে তারা প্রতিদিন ভয়, লজ্জা আর অস্বীকৃতির সঙ্গে লড়াই করে। আমি একজন বাইসেক্সুয়াল নারী
৪ নভেম্বর, মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ঝাবড়া এলাকার খালা পাগলী মেলার মঞ্চে দাঁড়িয়ে বাউল শিল্পী আবুল সরকার, যার নামের আগে অনেকে
যে দেশে শিশুদের হাসি, গান, ছুটোছুটি, মাঠে দৌড়ানো, শারীরিক খেলাধুলা – এই সবকিছুর ওপর ভর করে ভবিষ্যৎ দাঁড়িয়ে থাকার কথা,
অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার এক বছরের মাথায় অক্টোবরে যে হিসাব সামনে এসেছে তা ভয়ঙ্কর। জানুয়ারি থেকে অক্টোবর ২০২৫ এই দশ
বাংলাদেশের সংবিধানে লেখা আছে, রাষ্ট্রের কোনো চাকরিতে নারী–পুরুষ সবার জন্য সমান সুযোগ থাকবে; বাস্তবে অফিসের দরজা পেরোতে গিয়েই নারীদের সামনে
আগস্টের শুরুতে কয়েকটি টিভি টকশো আর অনলাইন পোর্টাল যে ভাষায় কুইয়ার মানুষদের নিয়ে কথা বলতে শুরু করল তা যেন আগুনে
জুলাই বিপ্লবের এক বছর পার হয়ে গেলেও বাংলাদেশ যে প্রতিশ্রুত “বৈষম্যহীন দেশ” হতে পারেনি সেটা এখন আর কেবল ব্যক্তিগত অনুভূতি
বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত শিশু নির্যাতিত হয় মাদ্রাসায়, তা অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হয় না। ধর্ম শিক্ষার নাম করে প্রতিদিন, মাদ্রাসার শিক্ষাগুরু
জুলাই বিপ্লবের এক বছর পরের বাংলাদেশে রাস্তাগুলো এখন যেন নতুন এক আদালত, যেখানে বিচারকের চেয়ারে বসেছে “তওহিদি জনতা”, আর আসামির
২০২৫ সালের প্রাইড মাসেও বাংলাদেশের বাইসেক্সুয়াল মানুষের জন্য বাস্তবতা প্রায় আগের মতোই – চোখে ইউটিউবের প্রাইড প্যারেড, হাতে নিজের ফোনের