ভাতের স্বাধীনতা চাওয়া কি অপরাধ? রাষ্ট্রদ্রোহ?

দেশটা কখন যেন এমন হয়ে গেল, যেখানে পেটে ভাত না থাকার কষ্টটা বলাটাই রাষ্ট্রদ্রোহ হয়ে দাঁড়ায়। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় পরে, এক শ্রমিকের মুখ থেকে বের হওয়া কথাটা, ভাতের স্বাধীনতা, এতটাই বিপজ্জনক হয়ে উঠল যে, সেই কথাকে খবর বানানো সাংবাদিককে ভোররাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার মতো সাহস দেখাল রাষ্ট্র। সাংবাদিকের নাম শামসুজ্জামান শামস, প্রথম আলোর তরুণ প্রতিবেদক; তাঁর অপরাধ, একটি প্রতিবেদনে এক গরিব মানুষের দীর্ঘশ্বাস তুলে ধরেছিল, যে মানুষটা বলেছিল স্বাধীনতার চেয়েও জরুরি এখন পেটের ভাত, বাজারে গিয়ে বাঁচার মতো দামের খাবার। সেই কথাটা নাকি দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, মিথ্যা রটনা ছড়ায়। কী অদ্ভুত, না?
 
একটা দেশের স্বাধীনতার মূল কথা ছিল মানুষ বাঁচবে সম্মান নিয়ে, পেট ভরে খাবে, কথা বলতে পারবে। অথচ এখন পেটপুরি খেতে না পারার গল্প বলাটাই অপরাধ, কারণ তাতে উন্নয়নের গৌরবের গ্ল্যামার ধুয়ে যায়। রাষ্ট্র যেন এক বিশাল বিলবোর্ড, যেখানে সবসময় হাসিখুশি শ্রমিক, মাঠভরা ফসল, উড়ন্ত ফ্লাইওভার, ঝকঝকে মেট্রোরেল, কিন্তু সেই ছবির বাইরে গলির ভেতরে কাজ করে ফিরেও যে শ্রমিক বাসায় ভাত জোটাতে পারে না, তাঁর মুখের সত্যটা খবরের কাগজে উঠলে সরকারী লোকজন নাকি ‘ষড়যন্ত্র’ দেখে। তারা ভুলে যায়, ক্ষুধা কখনও ষড়যন্ত্র নয়, ক্ষুধা হল বাস্তবতা।
 
ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টকে এইখানেই তারা সবচেয়ে কুৎসিতভাবে ব্যবহার করল। একটা রিপোর্ট, তাও কোনও ফেক কোট না, কোনও উস্কানি না, শুধু বাজারদরের চাপে পিষ্ট এক মানুষের দীর্ঘশ্বাস। এইটাকে বানিয়ে ফেলা হল সাইবার অপরাধ, দেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা, জনমনে বিভ্রান্তি। যেন শ্রমিকের পেটে ক্ষুধা নেই, কেবল প্রতিবেদকের কলমেই ক্ষুধা তৈরি হয়! রাষ্ট্রের চোখে মানুষ জীবিত হয় না, মানুষ পরিণত হয় কাগজের ফিগার, পরিসংখ্যান আর নির্বাচনী পোস্টারের হাসি। যে সাংবাদিক এই ভুয়া মুখোশটাকে খানিকটা সরিয়ে বাস্তবতা দেখায়, তার গায়ে ‘দেশবিরোধী’ সিলমোহর মারাই এখন রাষ্ট্রের নিয়ম।
 
এই “ভাতের স্বাধীনতা” কথাটা আমাকে খুব ব্যক্তিগতভাবে নাড়া দেয়। কারণ নিজের জীবনে ভাত আর স্বাধীনতার এই টানাটানি খুব কাছে থেকে দেখা। ছোটবেলায় বাসায় রাজনৈতিক আলোচনা হতো, বাবা বা আত্মীয়রা বলতেন, “ভাত কাপড় বাসস্থানই তো স্বাধীনতার মূল কথা।” পরে বড় হয়ে বুঝলাম, এই মূল কথাটাই যেন সবচেয়ে বেশি আড়াল করা হয়; সব আলো গিয়ে পড়ে স্লোগানে, গানে, অনুষ্ঠানে, স্মৃতিচারণে। ভাত নেই, কাজ নেই, ভাড়া দিতে গিয়ে মানুষ পথে বসে, এসব কথা বলতে গিয়ে কতবার দেখেছি মানুষ কী ভয়ে নাম গোপন রাখতে চায়। “আপু, কথা বলবেন, কিন্তু নামটা লিখবেন না”, এই অনুরোধটা সাংবাদিকদের কাছে কত সাধারণ, অথচ এই সাধারণ ভয়ই বলে দেয় রাষ্ট্রের চরিত্রটা কতটা জল্লাদের।
 
আমি নিজে একজন উভকামী নারী, নাস্তিক, নারী অধিকার নিয়ে লেখালেখি করি, এই পরিচয়গুলোই আমাকে শিখিয়েছে, রাষ্ট্র কখন থেকে কার বিরুদ্ধে দাঁড়ায়। যখন ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলি, তখন দেখি কীভাবে ‘ধর্মীয় অনুভূতি’ নামের এক অদৃশ্য হিংস্রতা আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর যখন দারিদ্র্য, শ্রমিকের অধিকার, মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব নিয়ে লিখি, তখন বুঝি রাষ্ট্রের আরেকটা মুখ, যেখানে ভাতের কথা বলা মানেই সরকারের ব্যর্থতা ফাঁস করা। সেই ব্যর্থতাকে যে লিখে, তার বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার, হুমকি। আমাকে অনেকে বলে, “তুমি তো বিদেশে থাকো, এসব লিখতে সুবিধা হয়।” সুবিধা? নিজের দেশের শ্রমিকের পেটের ক্ষুধার ওপর দাঁড়ানো যে উন্নয়ন, সেটার বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে নিরাপত্তায় থাকা মানে আসলে এক ধরনের অপরাধবোধ নিয়ে বেঁচে থাকা। মনে হয়, ওদের ঝুঁকি আমি অনুভব করি, কিন্তু ওদের মতো জেলখানা, টর্চার, রাতবিরেতে দরজা ভাঙা, এসব আমি দেখি না।
 
সবচেয়ে কষ্টের জায়গা হচ্ছে, “ভাতের স্বাধীনতা” কথাটা যে সত্যি, সেটাই রাষ্ট্রের চোখে অপরাধ। মানুষ কোনও কল্পনার কথা বলছে না, বাজারে গেলে শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে, চাল, ডাল, তেল, সবজির দাম দেখে মাথা ঘুরে যায়। দিনে আনা দিনে খাওয়া পরিবারের জন্য এখন সপ্তাহের কতদিন গোশত দেখা মানে প্রায় অলৌকিক ঘটনা। গরিবের ভাত কমে গেলে, ফেসবুকের পোস্টে স্বাধীনতার ফানুস উড়িয়ে কী লাভ? শামস তার প্রতিবেদনে এই মাটির অনুভূতিটা তুলে ধরেছিল, আর এর অপরাধে তাকে গ্রেপ্তার করা মানে রাষ্ট্র সরাসরি ঘোষণা দিল, এই দেশের গরিব মানুষের ক্ষুধার কথা বলার অধিকারও এখন সরকারের অনুমতির উপর নির্ভরশীল।
 
মজার বিষয়, এই একই রাষ্ট্র মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা যতখুশি আওড়ায়। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনুষ্ঠান, ভাষণ, নাটক, গান, সব জায়গায় একই কথা, “আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছি।” কিন্তু শ্রমিক যখন বলে, “পেটে ভাত না জুটলে স্বাধীনতা দিয়া কি করুম?”, তখন সেই মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো রাষ্ট্র হঠাৎ কাঁপতে শুরু করে। কেন? কারণ এই একটা বাক্যই তার সব সাজানো মিথ্যার গায়ে দগদগে দাগ টেনে দেয়। স্বাধীনতার নামে যে উন্নয়নের ফটোসেশন, সেটার ভেতরে ক্ষুধার গন্ধ ঢুকে পড়ে।
 
নারীবাদী হিসেবে এই ঘটনাকে আরেকভাবে দেখি, দারিদ্র্য এবং সেন্সরশিপ দুইটাই সবচেয়ে বেশি আঘাত করে প্রান্তের মানুষকে, বিশেষ করে নারীকে। যেই পরিবারে পুরুষ শ্রমিকের ভাতের স্বাধীনতা নেই, সেখানে প্রথমেই কমে যায় মেয়েদের খাবার, তাদের পড়াশোনা, তাদের চিকিৎসা। মায়েরা প্রথমে নিজেই কম খায়, ছেলেমেয়েকে খেতে দেয়। যখন সাংবাদিক সেই পুরুষ শ্রমিকের মুখ দিয়ে ক্ষুধার কথা বলছেন, তিনি আসলে পুরো এক পরিবারের অনাহারের ইতিহাস রেকর্ড করছেন। আর রাষ্ট্র সেই ইতিহাসকে অপরাধ বানিয়ে ভাতের অভাবকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে রূপান্তর করছে। অর্থাৎ ভাতের অভাব অপরাধ না, ভাতের অভাবের কথা বলা অপরাধ। এটা এক ধরনের নৈতিক উল্টো-পথে চলা, যেখানে অপরাধীকে পুরস্কৃত করা হয়, আর ভিকটিমকে শাস্তি দেওয়া হয়।
 
আরেকটা কথা না বললেই না, এই যে সাংবাদিকদের ওপর একের পর এক DSA মামলা, হুমকি, গ্রেপ্তার, এগুলো শুধু তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার প্রশ্ন না, আমাদের সামষ্টিক স্মৃতির ওপর হামলা। আজ যে শামসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কাল অন্য কোনো তরুণ রিপোর্টার ভাববে, “আমি কি সত্যি সত্যি বাজারদর নিয়ে রিপোর্ট করব? নাকি নিরাপদ কোনো ‘ডেভেলপমেন্ট স্টোরি’ লিখব?” এই আত্ম-সেন্সরশিপটাই আসল জয় রাষ্ট্রের। তারা চায় না আইন সবসময় ব্যবহার করতে; তারা চায় আইনটা মাথার ওপর ঝুলে থাকুক, বাকি কাজ আমরা নিজেরা করে ফেলি, চুপ থেকে, টাইপ করার আগেই ব্যাকস্পেস চাপতে চাপতে, প্রশ্নগুলো গিলে ফেলে।
 
রাষ্ট্র যখন মানুষের পেটের কথা শত্রু ভেবে ফেলে, তখন বুঝতে হবে রাষ্ট্র আর জনগণের মধ্যে সম্পর্কটা ফেটে গেছে। “ভাতের স্বাধীনতা” কথাটা আসলে আমাদের ব্যর্থ অর্থনীতির সারাংশ, রাজনৈতিক ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি, দুর্নীতির ফলাফল। তাই এই কথাকে হত্যা করতে গিয়ে তারা সাংবাদিককে খাঁচায় পুরে। কিন্তু ইতিহাস বলে, যে সত্যি ক্ষুধা থেকে জন্ম, সেটা কখনও শেষ হয়ে যায় না। একটা রিপোর্ট বন্ধ করা যায়, একজন শামসকে গ্রেপ্তার করা যায়, কিন্তু বাজারের ভেতরে যে আর্তনাদ, সেটা থামে না।
 
এই প্রশ্নটা তাই জোরে জোরে করে যেতে হবে, ভাতের স্বাধীনতা চাওয়া কি অপরাধ? যদি রাষ্ট্রের উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে আমাদেরও উত্তর স্পষ্ট হওয়া উচিত, এমন রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য দেখানোই আসল অপরাধ। স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ পেট ভরে খেতে পারা, নিরাপদে কথা বলতে পারা, সত্যি লিখে জেলে না যাওয়া। যতদিন এই মৌলিক জিনিসগুলো নেই, ততদিন স্বাধীনতার বড় বড় স্লোগান কানে বাজবে, কিন্তু পেটে ঠান্ডা হাওয়া ছাড়া আর কিছুই লাগবে না।

26 Responses

  1. ভাতের স্বাধীনতা চাওয়া কি অপরাধ? রাষ্ট্রদ্রোহ? প্রশ্নটাই সব বলে দিচ্ছে। চালের দাম, তেলের দাম, ডিমের দাম সব আকাশছোঁয়া; কিন্তু এসব নিয়ে প্রতিবাদ করলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট , বিরোধী দলের এজেন্ট বলা হয়।

  2. আবদুল্লাহ আল মামুন says:

    তুই হিন্দু নাস্তিক বলে সব সময় সরকারের বিরুদ্ধে লিখিস। খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি global সমস্যা Russia-Ukraine war, inflation সব দেশেই হচ্ছে। শুধু বাংলাদেশকে দোষ দিয়ে তুই আসলে দেশকে দুর্বল করতে চাইছিস।

  3. তুমি ভালো ধরেছ ভাতের স্বাধীনতা মানে শুধু খাবার না, বরং মর্যাদা নিয়ে বাঁচার অধিকার। যখন একজন মা সন্তানকে খাওয়াতে পারে না, তখন তার সব স্বাধীনতা meaningless। এটা human security র সবচেয়ে basic form।

  4. তুই সব দোষ সরকারের; কিন্তু corruption, hoarding, market syndicate এসব তো ব্যবসায়ীরা করছে। সরকার নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে, কিন্তু তুই সেটা দেখিস না, শুধু সমালোচনা করিস।

  5. ভালো লাগল যে তুমি food as human right framework টা এনেছ UN Universal Declaration, ICESCR এসব বলে, adequate food, water, shelter মৌলিক অধিকার। এসব চাওয়া রাজনৈতিক না, মানবিক ।

  6. আল্লাহ রিজিকদাতা; কিন্তু মানুষকে চেষ্টা করতে হয়, সরকারকে দায়িত্ব নিতে হয়। দ্রব্যমূল্য নিয়ে প্রতিবাদ করা জায়েজ; কিন্তু তুই এটাকে রাষ্ট্রদ্রোহ বলে সরকারকে villain বানাচ্ছিস। আসলে এটা governance এর সমস্যা, রাষ্ট্র নিজে দোষী না।

  7. তুমি যেভাবে criminalization of protest দেখিয়েছ খাদ্য নিয়ে মিছিল করলে গ্রেফতার, DSA মামলা, দেশের শত্রু বলা এসব দেখায় যে রাষ্ট্র নাগরিকের মৌলিক দাবিকেও threat হিসেবে দেখছে।

  8. তুই সব সময় স্বাধীনতা নিয়ে কান্না করিস; কিন্তু স্বাধীনতার জন্য discipline, sacrifice দরকার। সবাই যদি রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে, তাহলে অর্থনীতি চলবে কীভাবে? কিছু কষ্ট সহ্য করতেই হবে।

  9. মো. ফারহানুল ইসলাম says:

    ভালো হয়েছে যে তুমি gendered impact ও এনেছ দ্রব্যমূল্য বাড়লে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে নারীদের ওপর; তাদের খাবার কমিয়ে দিতে হয়, পরিবারের জন্য ম্যানেজ করতে হয়। খাদ্য সংকট মানে নারী সংকটও।

  10. তোর লেখায় সরকার সবসময় villain; কিন্তু বাস্তবে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে, TCB truck চালাচ্ছে, দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। তুই এসব positive পদক্ষেপ acknowledge করিস না।

  11. মো. সোলায়মান হোসেন says:

    তুমি ঠিকই বলেছ ভাতের স্বাধীনতা শুধু metaphor না, literal truth। যে দেশে মানুষ তিন বেলা খেতে পারছে না, সেখানে অন্য সব উন্নয়ন ফাঁকা কথা।

  12. কিন্তু তুই একবারও বলিস না মানুষ যদি কম খরচ করে, wastage কমায়, তাহলেও অনেক সমাধান হবে। শুধু সরকার দোষী না, ব্যক্তিগত আচরণও দায়ী।

  13. ভালো লাগল যে তুমি food sovereignty concept টা এনেছ এটা শুধু food security না, বরং মানুষের নিজের খাদ্য উৎপাদন, বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা। global market, import dependency এসব food sovereignty নষ্ট করছে।

  14. তোর লেখা পড়ে মনে হয়, ভাত চাওয়া মানেই revolution; কিন্তু বাস্তবে এটা তো সাধারণ জীবনযাত্রার প্রয়োজন। তুই unnecessary politicise করছিস।

  15. তুমি যে বলেছ, ভাতের স্বাধীনতা চাওয়াকে রাষ্ট্রদ্রোহ বলা মানে রাষ্ট্র নিজেই নাগরিকের শত্রু হয়ে যাওয়া এটা খুবই শক্তিশালী statement। যখন মৌলিক চাহিদা দাবি করা অপরাধ হয়, তখন state legitimacy ই প্রশ্নবিদ্ধ।

  16. আল্লাহ বলেছেন, রিজিক তালাশ করো, সৎভাবে উপার্জন করো; কিন্তু তুই স্বাধীনতা বলে এমনভাবে লিখছিস, যেন সব দায় রাষ্ট্রের, ব্যক্তির কোনো দায় নেই। মুসলিমের জন্য সবর ও শোকরও ঈমানের অংশ।

  17. মো. আজহারুল ইসলাম says:

    ভালো হয়েছে যে তুমি historical context ও এনেছ 1974 famine, food shortage during Liberation War এসব দেখায় যে খাদ্য নিরাপত্তা বাংলাদেশের জন্য কতটা critical, এবং এখনো সেই vulnerability আছে।

  18. তুই প্রতিবাদ glorify করিস; কিন্তু বাস্তবে অনেক প্রতিবাদ political manipulation, বিরোধী দল funded এসব হয়। genuine দাবি আর political agenda আলাদা করতে হবে।

  19. তুমি যেভাবে ভাত কে symbol হিসেবে ব্যবহার করেছ এটা শুধু খাবার না, বরং dignity, survival, justice এর প্রতীক। রুটি, কাপড়, মাকান এই basic চাহিদাগুলো না মিটলে অন্য কোনো অধিকার অর্থহীন।

  20. ভালো লাগল যে তুমি inflation ও wage stagnation এর gap টা দেখিয়েছ দাম বাড়ছে দ্রুত, কিন্তু বেতন বাড়ছে ধীরে বা একেবারেই না; ফলে মানুষের purchasing power কমে যাচ্ছে, খাবার কেনার সামর্থ্য কমছে।

  21. কিন্তু তুই একবারও বলিস না Bangladesh অনেক উন্নতি করেছে, food production বেড়েছে, poverty কমেছে। শুধু negative focus করলে achievements হারিয়ে যায়।

  22. মো. মোরশেদুল ইসলাম says:

    তুমি যেভাবে state repression of economic protest দেখিয়েছ এটা global trend; IMF, World Bank এর structural adjustment যখন মানুষের জীবন কঠিন করে, আর তারা protest করে, তখন state force use করে। এটা neo-liberal governance model।

  23. তোর সব লেখায় রাষ্ট্র, সরকার এসবকে oppressor বানানো হয়; কিন্তু complex economic factor global recession, pandemic, war এসব ignore করিস। governance সমস্যা আছে, কিন্তু সব দোষ রাষ্ট্রের না।

  24. ভালো হয়েছে যে তুমি subsidy cut ও IMF conditionality নিয়ে লিখেছ আন্তর্জাতিক loan পেতে সরকার subsidy কমাচ্ছে, ফলে সাধারণ মানুষের খরচ বাড়ছে। এটা দেশের decision না, বরং global financial institution এর pressure।

  25. তুই স্বাধীনতা শব্দটা খুব loosely ব্যবহার করিস; ভাত চাওয়া তো basic need, এটাকে স্বাধীনতা বানানোর দরকার কী? এভাবে political jargon use করে তুই আসলে confusion তৈরি করছিস।

  26. মো. মঞ্জুরুল ইসলাম says:

    তুমি যেভাবে right to food vs. criminalization juxtaposition করেছ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *