বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত শিশু নির্যাতিত হয় মাদ্রাসায়, তা অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হয় না। ধর্ম শিক্ষার নাম করে প্রতিদিন, মাদ্রাসার শিক্ষাগুরু দ্বারা শিশুরা শারিরীক ও মানুষিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মাদ্রাসার বেশির ভাগ ছাত্র ছাত্রী হয়তো এতীম, নয় গরিব পরিবার থেকে আসে, তাই তাদের উপর ধর্মের নামে ব্রেইন ওয়াসটা সহজ হয়। আমাদের দেশে অনেক ধর্ম গুরু রয়েছেন যারা ধর্মকে পুঁজি করে অন্যায় করে যাচ্ছেন, এবং প্রশ্রয়কারী কিন্তু আমাদের মৌনতা, মৌলবাদীতা।
বাংলাদেশে মাদ্রাসা শুধু ধর্মীয় শিক্ষার কেন্দ্র নয়, অনেক শিশুর জন্য এটি আশ্রয়স্থলও। কিন্তু সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা আমাদের সামনে এক ভয়ংকর বাস্তবতা তুলে ধরেছে শিশু নির্যাতনের নির্মম চিত্র, যা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা ও মানবিক মূল্যবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
২০২৫ সালে লক্ষ্মীপুরের একটি হেফজখানায় মাত্র আট বছরের এক শিশুকে শিক্ষক ২৩ সেকেন্ডে ২১ বার বেত্রাঘাত করেন। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। একই মাদ্রাসায় সাত বছর বয়সী আরেক শিশুর মৃতদেহ পাওয়া যায়, যার গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল। শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হলেও প্রশ্ন রয়ে যায়,এই শিশুদের নিরাপত্তা কোথায়?
রাজধানীর মিরপুরে তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসায় ৯ বছর বয়সী জামজাম ইসলাম রিতুলকে দুই ঘণ্টা ধরে স্টিলের স্কেল ও প্লাস্টিকের ঝাড়ু দিয়ে পেটানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।
শুধু মাদ্রাসা নয়, ২০২৪ সালের প্রথম দশ মাসে ৪৮২টি শিশু হত্যার শিকার হয়েছে, এবং ৫৮০ জন শিশু বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম (BCRF)। এই সংখ্যা শুধু পরিসংখ্যান নয়, প্রতিটি সংখ্যা একটি ভাঙা শৈশবের প্রতিচ্ছবি।বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলোতে চলে অবাধ যৌন নির্যাতন। যারা সমকামী মানুষ এবং LGBT গোষ্ঠীর অন্তর্গত, আমি আজ পর্যন্ত এরকম খবর কথাও দেখি নাই একজন সমকামী মানুষ তার যৌন চাহিদা মিটানোর জন্য ৩ বছরের বাচ্চাকে ধর্ষণ করেছে এবং হত্যা করেছে। শুধু ৩ বছরের বাচ্চাকে না, এক ৮ মাসের বাচ্চাকে ধর্ষণ করেছে। শিশুটির যৌনাঙ্গ ব্লেট দিয়ে কেটে সেখানে আঙ্গুল ঢুকিয়ে তার বিকৃত যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য। একবার চিনটা করে দেখুন ৮ মাসের এক শিশু সে কিরকম অসহনীয় যন্ত্রণা পেয়েছিল যখন ব্লেড দিয়ে তার প্রাইভেট পার্ট কাঁটা হয়েছিলো। এই রকম বর্বর আচরণ করেছে একজন কোরানে হাফেজ ধর্ম শিক্ষক। এখানে শিশুটিকে আপনারা মেয়েদের পোশাক পরাকে দায়ী করবেন কিভাবে? কারণ আপনাদের কাছে মেয়েদের ধর্ষণের প্রধান কারণ তাদের পরনের পোশাককে দায়ী করেন।
মাদ্রাসাতে রাতের অন্ধকারে অনেক বাচ্চা এবং কিশোরেরা ধর্ষণের স্বীকার হয় অই মাদ্রাসার ইমাম এবং ধর্ম শিক্ষক দ্বারা। cctv ফুটেজ দেখার পর আপনারা বাচ্চাগুলোকেই দোষ দেন। তারা কেন এই মাদ্রাসাগুলোতে পড়তে আসে? এই জন্য দায়ী কে? বাচ্চাগুলো? নাকি ধর্মীয় হুজুরগুলো? এরকম অপরাধ দেখার পর যারাই পড়ান ইসলামে সমকামিতার ভয়ংকর শাস্তির কথা বলেন এবং সমকামিতাকে হারাম করে রেখেছেন আপনাদের কোরানের সেই আয়াতগুলোর কথা মনে থাকে না যখন ধর্ষণের মতো এতো জঘন্য অপরাধ করেন? আপনাদের মতো হুজুর , ইমাম, এবং আরবি শিক্ষক ধর্মকে ঢাল করে আপনাদের বিকৃত যৌন চাহিদা মেটান। আপনারা প্রকৃত পক্ষে সমকামী না। আপনারা ধর্ষণ করেন আপনাদের যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য। সমকাম এবং ধর্ষণ সম্পূর্ণ ভাবে আলাদা। সমকামী মানুষ ভালবেসে সঙ্গ করে। বিশুদ্ধ প্রেম এবং প্রণয়ের প্রতীক সমকাম। আর ধর্ষণ বলতে যৌন সহিংসতার এক গুরুতর রূপকে বোঝায় যেখানে একজন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির সাথে তার সম্মতি ছাড়াই, বলপ্রয়োগ, ভয় দেখানো, প্রতারণা বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে যৌন মিলন করে। কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করা কেবল একটি শারীরিক আঘাতই নয়, বরং মানসিক, সামাজিক এবং মানবিক দিক থেকেও একটি অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক অপরাধ। আর ধর্ষণের সাথে সমকামের কোন সম্পর্ক নেই। কিন্তু এই ধর্ষণকে সমকামের নাম দিয়ে প্রকৃত সমকামকে অপরাধের নাম দিয়েছে এই মৌলবাদী ইসলামতন্ত্র।
যখনই মৌলবাদী ইসলামী মাদ্রাসা শিক্ষক এই বিকৃত ধর্ষণ অপরাধ সংঘটিত করে, এই ভয়ানক এবং বর্বর অপরাধকে ঢাকতে, ধর্মের মান বাঁচাতে খুন হয় সেই ধর্ষিত নিরাপরাধ শিশু- কিশোরেরা। লাশ গায়েব করে দেয়া হয়। লাশগুলোকে কেটে টুকরো করে গায়েব করে দেয়া হয়। এরই নাম অনার কিলিং। খবরে আসে অজ্ঞাতনামা লাশ উদ্ধার রিপোর্ট। তদন্তে যখন আসল অপরাধ ফাঁস হয় তখন সেই খবর প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়। কারণ ইসলামকে কলুষিত করা যাবে না। রাষ্ট্র ঢাল হয়ে এই নরপিশাচদের রক্ষা করে। এরা হাই লেভেলের স্টেট প্রোটেকশন পায়। এরা পুলিশের পাহারায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কাজে এবং সেমিনারে অংশ নেয়। অপরাজনিতির অন্ধকারাচ্ছন বেইমান মৌলবাদী ধর্ম ভিত্তিক দলের নেতা এরা। কারণ যারা এই অপরাধ করেছে তারাই ইসলাম ধর্মের প্রচারক, শিক্ষক এবং রাজনৈতিক নেতা। এরাই ইসলামকে রক্ষা করার মৌলবাদী শাসক। এরাই সমকামকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে সমকামকে কলঙ্কিত করেছে। পাবলিকদের জন্য ভয়ঙ্কর এক আইওয়াশ।
LEEDO নামক একটি শিশু অধিকার সংস্থা জানায়, শিশু নির্যাতন এখন ভয়াবহ সামাজিক সংকটে রূপ নিয়েছে। বরিশাল, কুমিল্লা, ঢাকা, দেশের নানা প্রান্তে শিশুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকরা ভয় বা সামাজিক লজ্জার কারণে অভিযোগ করেন না, ফলে অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যায়। আমরা কি শুধু প্রতিবাদ করে থেমে যাব? নাকি এই অমানবিকতার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করব? এই অপরাধীদের স্টেট প্রোটেকশন দিচ্ছে। সরকারের ভিতরের উচ্চ মহল থেকে এরা রক্ষা পেয়ে আসছে। এই অপরাধকে ঠেকাতে আমাদেরকেই সোচ্চার হতে হবে। এই অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমাদের দেশের বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ ভাবে নিরপেক্ষ হতে হবে। দেশের বিচার বিভাগ সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। সরকারের কালো থাবা থেকে বিচার বিভাগকে বের হয়ে আসতে হবে। স্বতন্ত্র হতে হবে বিচার বিভাগকে। তাহলেই প্রকৃত অপরাধী শাস্তি পাবে। এই ইসলামের ভণ্ড ধর্মনেতাদের মুখোশ খুলে ফেলতে হবে। বন্ধ করতে হবে ধর্মের নামে অত্যাচার এবং ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি।
29 Responses
তোর মা বেশ্যা। আর তুই জারজ সন্তান। তোড় মতো হিন্দু দালালদের গলা টিপে হত্যা করা উচিৎ। তোদের মতো হিন্দুদের জন্য এই দেশটা ধ্বংস হয়ে গেছে। আগুনে পুড়িয়ে মারা উচিৎ তোদের। কারণ তোরা একেকটা ইবলিশ শয়তানের বংশধর।
আপনি সবকিছুর জন্য মাদ্রাসাকে দায়ী করছেন। অথচ স্কুল কলেজ, বাড়ি, এমনকি আত্মীয়তার ভেতরেও শিশু নির্যাতন হয় ওগুলো নিয়ে আপনার ভাষা এত ধারালো না। শুধু ধর্মীয় শিক্ষাকে নিশানা করার একটা এজেন্ডা আছে আপনার। আমাদের নেতারা আল্লাহ্র বান্দা। তাই সরকার আল্লাহ্র বান্দাদের রক্ষা করেন। আর ধর্ষণ করাতো সুন্নত। সৌদিতে এইরকম ধর্ষণ জায়েজ। কোরানেও জায়েজ।
তুই খানকি বেশ্যা। তোরে আমি আমার যৌনদাসী বানাবো। আমার সাথে সৌদিতে ঘুরবি আর সৌদির শেখরা তোরে পালাক্রমে বলাৎকার করবে। শেখদের চোদা খাইলেই বুঝবি। এরা চুদে আর বেত দিয়া শরীরে আঘাত করে। শেকল দিয়ে বেঁধে রাখে নেংটা করে। এইভাবেই এরা কাফেরদের শাস্তি দেয়। আর এভাবেই মরবি তুই।
আল্লাহ্র নামে শফত করে বলছি, তোকে হত্যা করে ইসলামকে সমকামী মুক্ত করবোই। ইসলামকে নষ্ট করেছিস তুই। বাংলাদেশের মাটিতে তোর মতো সমকামীর স্থান হবে না। আমরা তা হতে দেবো না ইনশাল্লাহ।
জিন লাগার চিকিৎসার নামে বাচ্চাদের গা গামছা দিয়ে পেঁচিয়ে পেটানোর ঘটনা আছে এই মাদ্রাসাগুলোতে, সমকামিতার নামে নোংরামি চলে এই মাদ্রাসাতে। সেটা আমাদের গ্রামের বাস্তব। বাবা মাও ধর্মের ভয়ে চুপ থাকে। আপনার লেখা অন্তত এই নীরবতার বিরুদ্ধে একটা আওয়াজ।
আপনি ইসলাম নিয়ে শত্রুতা করেন বলেই মনে হয় এসব লেখেন। শারীরিক শাস্তির কথা কোরানেও বলা আছে। এসকল বিষয় কোরানে স্বীকৃতি দিয়েছে। কোরানে ধর্ষণ জায়েজ করেছে। যুদ্ধ বন্দী, কাফের নারী, এমনকি শিশুরাও যৌন দাসী হতে পারে। আপনি বাঁধা দেবার কে? ইসলামকে নিয়ে লেখার সাহস কোথায় পান? এখানে শুধু ইসলামকেই টার্গেট করেছেন দেশে মুসলিমদের সংখ্যা বেশি বলে?
তুই জারজ নাস্তিক। হিন্দু কাফের। তোর দিন ঘনায় আসছে। মরার জন্য প্রস্তুত হ। দেশের বাইরে কত দিন পালাই থাকবি? একদিন ত্ব আসবি দেশে? যেদিন আসবি ওইদিন তোর জীবনের শেষ দিন। ভুলে যাস না, দেশের সব এয়ারপোর্ট আমাদের নজর এড়ায় না।
দারুণ লিখেছেন। এরকম লেখাই চাই বার বার। খুব ভালো করেছেন এই উচ্চ মহলের নেতাদের নিয়ে লিখেছেন । এরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে গাছে। রাষ্ট্র এদের পক্ষে। মুখোশ খুলে দেন এদের। ধর্মের দালাল এরা। ইসলামের মুল শত্রু এরাই।
শিশুরা সুরা মুখস্থ করতে করতে নিজের শরীরের ব্যথার ভাষাও মুখস্থ করে ফেলে এই লাইনটা বুক কাঁপিয়ে দিল। ধর্মীয় শব্দের ভেতরে যখন মারধর লুকিয়ে থাকে, তখন ঈমানের সঙ্গে ভয়ের সম্পর্কই বেশি হয়ে যায়।
আপনি শুধু কওমি ধারার উদাহরণ এনেছেন, আলিয়া/সরকারি মাদ্রাসা এবং সাধারণ স্কুলের ভেতরের নির্যাতন তুলনামূলক কম। এতে মনে হয়, আপনার আসল টার্গেট বিশেষ একধরনের ধর্মীয় শিক্ষা, সব প্রতিষ্ঠান না।
যে অংশে লিখেছেন অভিভাবক থানায় গেলে ইমাম কমিটি এসে মীমাংসা র নামে চাপ দেয় সেটা খুবই রিয়ালিটিসুলভ। ধর্মীয় অথরিটি অনেক সময় আইনকেই বাইপাস করতে চায়, শিশু অধিকার সেখানে হারিয়ে যায়।
শালি চুতমারানি, তোর ভোদায় এতো চুলকানি কেন? তোর কোথায় স্পষ্ট বোঝা যায় তুই একটা বেশ্যা বেহায়া নাস্তিক মাগি। তোকে দেশে দেখা মাত্র একদম ঘাপাঘাপ করে এক কোপে মাথাটা ফেলে দিয়ে তোর রক্ত দিয়ে গোসল করব ইনশাল্লাহ। দেশে ইসলাম কায়েম করেই ছাড়বো।
জন্মদিনের দিনও বেতের আঘাত থামে না। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওর কথা তুলে এনে আপনি পুরো দেশের বিবেককে প্রশ্ন করেছেন। সত্যি, বাচ্চাদের চোখের ভয় আমাদের কারও ঘুম নষ্ট করে না কেন? এই দ্বেষ্টা মৌলবাদী আর সরকার মিলে শেষ করে দিলো।
আপনার টোন একদম ব্ল্যাক ওয়াইট। ভালো আলেম নেই, ভালো মাদ্রাসা নেই, শুধু হিংসা আর নির্যাতন। অথচ বাস্তবে অনেক শিক্ষক নিজের সন্তানের মতো বাচ্চাদের রাখেন। আপনি সেই গল্পগুলো এড়িয়ে যান।
তোরে চুদি আমি। খানকি মাগী। তোর ভোঁদায় গরম পানি ঢেলে তোর ভোঁদা পোড়াই দেয়া হবে। তুই বাঁচবি না। দেশে আয় খানকি।
আপনি সবসময়ের মতোই আবেগী ভাষা ব্যবহার করেছেন, এবার ডেটা আর রিপোর্টের সাপোর্ট আছে বলে যুক্তিগুলো অনেক বেশি কনভিন্সিং। কারণ আপনি সত্যকে তুলে ধরেছেন। তবে আপনি সাবধানে থাকবেন। বাংলাদেশে আপনাদের মতো লেখকদের এরা বাঁচতে দেয়নি।
তোর মতো কুত্তী নাস্তিক মাগিরা এদেশের ও ইসলামের শত্রু, আমরা কিন্তু চিহ্নিত করে রেখেছি, দেখা মাত্র জবেহ করে কতল করা হবে। ইনশাল্লাহ।
তোর গলা এক কোপে ফালানো হবে। আল্লাহ্র হুকুম নাজিল হয়েছে তোর মতো কাফেরের জন্য। দেখ তুই, মহান আল্লাহ সূরা আল বাকারায় কি বলেছেন তোর জন্য। আল্লাহ্ বলেছেন- আর তাদেরকে যেখানে পাও হত্যা করো এবং যেখান থেকে তারা তোমাদের বের করে দিয়েছে সেখান থেকে তাদেরকে বের করে দাও। নিঃসন্দেহে, ফিতনা হত্যার চেয়েও বড় অপরাধ। আর মসজিদুল হারামের কাছে তাদের সাথে যুদ্ধ করো না যতক্ষণ না তারা সেখানে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে। আর যদি তারা তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে, তাহলে তাদেরকে হত্যা করো। এটাই কাফেরদের শাস্তি। ২-১৯১। আল্লাহ্র এই আদেশ আমরা অবশ্যই পালন করবো ইনশাল্লাহ। দেশে আসা মাত্রই তোকে হত্যা করে আল্লাহ্র হুকুম পালন করে বেহেস্তে যাবো ইনশাল্লাহ। কারণ তুই ইসলামের আলেমদের বিরুদ্ধে কথা বলে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিস।
সমকামী হারামি তুই। তোকে ইনশাল্লাহ পাথর ছুঁড়ে মারা হবে। কাফের তুই। বেশ্যা পাড়ার বেশ্যা তুই। ইসলামকে কলঙ্কিত করছিস তুই বার বার। তোরে লেখা থামাইতে বলছি। তুই বার বার ইসলামকে অপবাদ দিয়েছিস। ইসলামকে হারাম বলেছিস। কারণ তুই হিন্দু। তুই হারাম। তোর দুই ঠ্যাং ধরে চিড়ে ফেলবো। দ্বিখণ্ডিত লাশ খাবে কুত্তা। ইসলামে তোকে হত্যা করা ফরজ। কোরানের আদেশ, ইসলামকে যে কলঙ্কিত করবে, আল্লাহ্ তাকে হত্যা করতে বলেছেন। আমাদের ঈমান নষ্ট হবে না ইনশাল্লাহ।
যে অংশে সাবেক মাদ্রাসা ছাত্রদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা অভিজ্ঞতা উল্লেখ করেছেন ৭ বছর বয়সে ধর্ষণ, হুমকি, চুপ করে থাকার বাধ্যবাধকতা ওগুলো পড়ে আতঙ্কিত হয়ে গেছি। এগুলো আর লুকিয়ে রাখা যায় না। ইসলামী এই নেতারা মাদ্রাসা গুলোকে জিম্মি করে রেখেছে। সরকার এদের সাপোর্ট করছে।
আলেমদের নিয়ে এতো বড় কথা বলেছিস তুই। হুজুর নেতাদের নিয়ে কথা বলার সাহস কোথায় পেলি তুই? দেশের সরকার আমাদের নেতাদের অবশ্যই রক্ষা করবে। কারণ মোটা অঙ্কের টাকা খায় সরকার। দেশে যখন আসবি এই সরকারের মদদেই তোরে মারবো ইনশাল্লাহ। আমাদের মাদ্রাসা ব্যবসা নিয়ে কথা বলছিস পাবলিক ব্লগে। কি ভাবছিস! পার পাবি? তোর ওই হাত কেটে ফেলা হবে।
তবুও, কেউ না কেউ তো এই কথা বলবে যে, শিশু নির্যাতনকে ইমেজের ভয়ে চাপা দেওয়া হারাম। আপনি অন্তত বললেন। এখন কাজ হচ্ছে, মাদ্রাসা ম্যানেজমেন্ট, ভণ্ড আলেম সমাজের এই সিন্ডিকেটের মুখোশ খুলে দিতে হবে। এরা যে মানবপাচারকারী এবং অরগ্যান ব্যাবসা করে এগুলো নিয়ে লেখেন। মাদ্রাসার এতিমবাচ্চা গুলো রাতের অন্ধকারে গায়েব হয়ে যায়। বিদেশে বেশ্যাপাড়ায় বেচে দেয়।
আপনি বারবার আদালতের সরকারের দাসত্বের এর কথা তুলেছেন, কিন্তু বাস্তবে কেসের সংখ্যা অনেক বেশি আর দণ্ড পাওয়া অপরাধীর অনুপাত খুব কম। এটা নিয়ে লিখেছেন আপনার সাহস আছে। সাবধানে থাকেন আপনি।
তোর মুখ এসিড দিয়া ঝলসাই দেবো। দেশে আয় তুই। তোরে এমন ভাবে জিহাদি ভহাইয়েরা হত্যা করবে যে তোর লাশ কেউ চিনতে পারবে না। তোরে ইসলামের সবচেয়ে ভয়ানক মৃত্যু দেয়া হবে।
খানকি মাগী তোর পুটকি দিয়া বাঁশ ঢুকাই দিমু। তোর বুকের দুধ কাইটা গলাকাটা লাশ ব্রিজের উপর ঝুলাই রাখবো। তুই বেশ্যা খালি দেশে আয়। তোর হুজুরদের নিয়ে লেখা একদম বাইর কইরা দিমু। ইসলামের ধর্ম শিক্ষকরা নিজেদের ফুর্তির জন্য যৌন দাসীদের নিয়ে আমোদ করে। ইসলামে জায়েজ আছে। আর কাফেরদের হত্যা করা জায়েজ। বেহেস্তের হুরপরিরা বয়সে কম থাকে। তাই কম বয়সের ছেলে মেয়েকে চুদা ইসলামের শরিয়তেই আছে। তুই এগুলারে অপরাধ বলস কোন সাহসে?
আমি মাদ্রাসায় পড়েছি, মারধর খেয়েছি, আমার চোখের সামনে আমাদের অনেক এতিম সহপাঠীকে ধর্ষণ করেছে মাদ্রাসার হুজুর। একজন প্রতিবাদ করার তারে ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে মেরে ফেলেছে। আর ২ই জনকে গলা টিপে প্রধান আরবি হুজুর মেরে ফেলছে। আমরা কেউ পুলিশের কাছে ভয়ে যাইতে পারি নাই। কারণ আমাদের সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দিছে। এখন তাড়া শোবাই বড় নেতা হইসে। রাজনীতিতে নাম লেখাইছে। এদের শাস্তি হয় না আপা। আপনি সাবধানে থাইকেন। বাঁচতে চাইলে দেশে আইসেন না।
তোর ভোদা দিয়া গরম রড ঢুকামু, শালি খানকি মাগী। তোরে ধর্ষণ করা ইসলামে জায়েজ। কারণ তুই কাফের। তোর পুটকিতে মরিচের গুরা ভইরা দিমু। তুই যন্ত্রণায় ছটফট করে মরবি। দেশে আয় একবার। তোর দিন ফুরাই গেছে।
আপনি শুধু কওমি মাদ্রাসার কান্ড তুলে ধরে আলিয়া বোর্ড, সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানের ভেতরের ভালো কোনো উদাহরণ আনেননি। একটু ব্যালান্স করলে অনেকে কম ডিফেন্সিভ হতো।
তারপরও, আপনার প্রশ্নটা এড়ানো যাচ্ছে না যখনই কোনো ভিডিও ভাইরাল না হয়, তখন কত শত বাচ্চা নীরবে পেটানো, অপমান, এমনকি ধর্ষণের শিকার হয় তাদের জন্য কে লিখছে? আপনার এই ব্লগ অন্তত তাদের ভাষা হতে চেয়েছে।