ব্যক্তিগত গোপনীয়তায়ও রাষ্ট্রের নগ্ন হস্তক্ষেপ

এপ্রিলের মধ্যভাগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি অস্পষ্ট পোস্ট আর স্ক্রিনশটে দেখা গেল গাজীপুরের এক ভাড়া বাসায় পুলিশের অভিযান চলছে অভিযোগ নাকি “সমকামী কার্যকলাপ”। খুব দ্রুতই স্থানীয় কয়েকটি অনলাইন পোর্টাল আর ফেসবুক পেজ খবর বানিয়ে লিখল পাঁচ তরুণকে সমকামিতার অপরাধে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের মধ্যে দুজন বিবাহিত আর বাকি তিনজন অবিবাহিত পুলিশ নাকি “অশ্লীল অবস্থায়” তাদের ধরে ফেলেছে। পরে সেনাবাহিনী ও গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তারা একটি বিবৃতিতে দাবি করলেন অনলাইনে যা ছড়িয়েছে তার বড় অংশই গুজব তবে স্বীকারও করলেন ওই ফ্ল্যাটে অভিযানের কথা সেখানে “অনৈতিক কাজ” আর “মাদক” সংক্রান্ত অনুসন্ধান হয়েছে। এলজিবিটিকিউ অধিকারের জন্য কাজ করা সংগঠনগুলো বলছে পুলিশ আনুষ্ঠানিকভাবে সমকামিতার অভিযোগ না তুললেও বাস্তবে এ ধরনের অভিযানে ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর রাষ্ট্র যেভাবে নজরদারি আর হস্তক্ষেপ করছে তা কার্যত সমকামী মানুষকে অপরাধী বানানোরই এক রূপ।
 
JusticeMakers Bangladesh in France আর অন্যান্য কুইয়ার অধিকার সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত কমপক্ষে তিনটি ঘটনায় পুলিশ বা স্থানীয় প্রভাবশালীরা “সমকামিতা”র অভিযোগে তরুণদের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেছে কখনো থানায় বসিয়ে জেরা করেছে কখনো পরিবারে ফিরিয়ে দিয়ে “ভবিষ্যতে এমন করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে” বলে হুমকি দিয়েছে। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে চাঁদপুরে দুজন কিশোরী সমকামী সম্পর্কের অভিযোগে পরিবারের চাপে থানায় সোপর্দ হওয়ার ঘটনাও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আসে যেখানে পুলিশ তাদের আইনি সুরক্ষা দেওয়ার বদলে পরিবারেই ফিরিয়ে দেয় ফলে তারা আরও সহিংসতা আর জোরপূর্বক বিয়ের ঝুঁকিতে পড়ে। এদিকে গাজীপুরেই জুলাইয়ে এক সমকামী পুরুষকে বাসায় ডেকে নিয়ে খুন করে তার দুই পরিচিত যুবক পরে স্বীকার করেছে তার যৌন অভিমুখিতা জেনে ব্ল্যাকমেইল আর ডাকাতির পরিকল্পনা ছিল যা ভেস্তে গেলে তাকে ছুরি মেরে হত্যা করে পালিয়ে যায় এই ঘটনা দেখায় সমকামী হওয়া কেবল সামাজিকভাবে নয় জীবননাশের ঝুঁকির দিক থেকেও কতটা বিপজ্জনক হতে পারে।
 
একজন উভকামী নাস্তিক নারীবাদী নারী হিসেবে গাজীপুরের ঘটনাকে দেখি শুধু পাঁচজন নাম না জানা তরুণের খবর হিসেবে নয় বরং রাষ্ট্র আর সমাজ হাতে হাত মিলিয়ে আমাদের শয্যা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করার প্রবণতার উদাহরণ হিসেবে। বাংলাদেশে এখনো দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় “অস্বাভাবিক সহবাস” অপরাধ হিসেবে রয়ে গেছে যদিও বাস্তবে খুব কম মামলাই এর অধীনে চালানো হয় কিন্তু এই ধারার অস্তিত্ব পুলিশের হাতে এক অদৃশ্য অস্ত্র হিসেবে থেকে যায় যে কোনো সময় কুইয়ার মানুষকে গ্রেফতার ব্ল্যাকমেইল বা হুমকি দেওয়ার জন্য। যখন দেখি সৈন্যবাহিনী পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় “ভুল তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা”র সতর্কতা দিচ্ছে আর নাগরিকদের শোবার ঘরে কে কাকে ভালোবাসে তা নিয়ে গুজব ছড়ানোকে জাতীয় নিরাপত্তার আলোচনায় টেনে আনা হচ্ছে তখন বুঝি আমাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা আসলে কতটা ভঙ্গুর আর কুইয়ার শরীর রাষ্ট্রের কাছে কত সহজে তল্লাসি করার জায়গা হয়ে যায়।

28 Responses

  1. রাশেদুর রহমান জাহিদুল says:

    ব্যক্তিগত গোপনীয়তায়ও রাষ্ট্রের নগ্ন হস্তক্ষেপ এই কথাটা এখন একেবারে বাস্তব লাগছে; ডাটা প্রোটেকশন, সাইবার সিকিউরিটি, CCTV সবই শেষ পর্যন্ত মানুষের শয্যা, প্রেম, ইনবক্সে উঁকি দেওয়ার অজুহাত হয়ে গেছে।

  2. সালমানুল করিম আরফাতুল says:

    তুই নাস্তিক হিন্দু মেয়ে, তাই তোকে মনে হয় আল্লাহর চোখেও নজরদারি সমস্যা মনে হয়। মুসলিম দেশের রাষ্ট্র যদি অশ্লীলতা, সমকামিতা, হারাম সম্পর্ক ঠেকানোর চেষ্টা করে, সেটাকেই তুই নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে চালাচ্ছিস আসলে সমস্যা তোর ঈমানহীনতায়। রাণ্ডি শালী, তুই নিশ্চয়ই রাতের বিজনেস করিস। 

  3. আরিয়াবুল ইসলাম সাইফুজ্জামান says:

    তুমি যে উদাহরণগুলো এনেছ লেসবিয়ান কিশোরী জুটিকে পরিবার মোল্লা পুলিশ মিলে আলাদা করে দেওয়া, টিকটকে পরিচয় হওয়া সঙ্গীকে বাঁচাতে না পারা এসব স্পষ্ট করে দেখায়, আমাদের রাষ্ট্র গোপনীয়তা নয়, নিয়ন্ত্রণের অধিকার কে বেশি গুরুত্ব দেয়।

  4. ইমাদুল করিম তায়্যিবুল says:

    তোমার কাছে সব নজরদারি মানেই ফ্যাসিবাদ, অথচ অপরাধ, ব্ল্যাকমেইল, পর্নোগ্রাফি, সাইবার ক্রাইম এসব ঠেকাতেও তো সার্ভেইল্যান্স লাগে। তুই সবকিছুকে রাষ্ট্র বনাম প্রেম ফ্রেমে দেখিস, যেন আইন, শৃঙ্খলা, নিরাপত্তার কোনো মূল্যই নেই।

  5. শাওকতুর রহমান নোমানুল says:

    তুমি ভালো ধরেছ যে আইনের ভাষায় ডাটা প্রোটেকশন , শিশু সুরক্ষা , অনলাইন নিরাপত্তা লেখা থাকে, বাস্তবে তা প্রায়ই ভিন্নমত, কুইয়ার, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়ার টুলে পরিণত হয়। কাগজে অধিকার, মাটিতে নজরদারি।

  6. ফারিহানুল করিম শামসুল says:

    তুই আল্লাহকেই মানিস না, আবার প্রাইভেসি র দোহাই দিয়ে হারাম সম্পর্ককে হালাল করতে চাইছিস। মুসলিম দেশে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা মানে আল্লাহর হারাম হালাল ভুলে যা খুশি করা না; আল্লাহও তো মানুষের গোপন ও প্রকাশ্য সবই দেখেন। তোর মাইরে চুদি।

  7. রুবাইয়াতুল কাদের তাসনিমুল says:

    লেসবিয়ান লেডি বাইকার , কিশোরী জুটির কেস সব একসাথে এনে তুমি যে ছবি আঁকছ, সেখানে পরিবার, মোল্লা, পুলিশ সবাই মিলে একজন মানুষের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ওপর হামলা চালাচ্ছে। রাষ্ট্রের আইন না থাকলেও সামাজিক ও ধর্মীয় পুলিশিং গোপনীয়তাকে ভেঙে চুরমার করছে।

  8. মাহবুবুল ইসলাম শাকিলুজ্জামান says:

    তোমার লেখায় পরিবার, সমাজ, আলেম সবাই খারাপ, শুধু তথাকথিত ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ই ভালো। কিন্তু এই স্বাধীনতার নামে যখন জিনা, সমকামিতা, পরকীয়া বাড়ে, তখন তার সামাজিক প্রভাব নিয়েও তো কথা বলতে হয় ওখানে তোর কলম একদম নিস্তব্ধ।

  9. তাওহীদুল কাদের সাইমুর says:

    তুমি যে দিকটা তুলেছ ডাটা প্রোটেকশন অর্ডিন্যান্স একদিকে মূল অধিকার বলে, অন্যদিকে নিরাপত্তার নামে ব্যাপক ব্যতিক্রম রেখে দিয়েছে এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ফলে নাগরিকের গোপনীয়তা কাগজে অধিকার, বাস্তবে পুলিশের অনুমতির ওপর নির্ভরশীল।

  10. ইকরামুল হক নাফিউর রহমান says:

    হারামজাদি মাগি  তোর প্রতিটা উদাহরণই এমনভাবে সাজানো, যেন মুসলিম সমাজই সব সমস্যার মূল; পশ্চিমে যেখানে এনএসএ, জিসিএইচকিউ মানুষের ইনবক্স ঘাঁটে, মুখের ডাটা তুলে নেয়, সেই গোপনীয়তার ধ্বংস তুই খুব রোমান্টিকভাবে এড়িয়ে যাও। লক্ষ্য মুসলিম রাষ্ট্রকে খলনায়ক বানানো।

  11. সাইফুল ইসলাম জাওয়াদুর says:

    ব্যক্তিগত গোপনীয়তায়ও রাষ্ট্রের নগ্ন হস্তক্ষেপ এই শিরোনামটাই পুরো বাস্তবতা ধরেছে। ফোনে সিম নিবন্ধন, বায়োমেট্রিক জমা, প্রতিটা কলের মেটাডাটা, সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং এসব আর নিরাপত্তা না, নজরদারি রাষ্ট্রের ভিত্তি।

  12. মুজতাহিদুল কাদের তাশরিফুল says:

    তুই সব সময় রাষ্ট্রকে ভিলেন বানাস, কিন্তু সন্ত্রাস, অপহরণ, মাদক, পর্ন এসব ঠেকাতে হলে তো কিছু মনিটরিং লাগবেই। পশ্চিমের NSA, Five Eyes এসবের মতো জিনিস তাদের দেশে থাকলে ন্যাশনাল সিকিউরিটি , আমাদের দেশে হলেই স্বৈরাচার ?

  13. রাশেদুল বারী ইমাদুল says:

    তুমি ঠিকই ধরেছ ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট (DSA), সাইবার অপরাধ আইন, টেলিকম আইন এগুলোর নামে হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার, হ্যারাসমেন্ট, চাকরি হারানোর মুখে ফেলা হয়েছে। Privacy International, Article 19 এর রিপোর্ট দেখায়, বাংলাদেশে surveillance আইনি কাঠামোতেই বিল্ট ইন।

  14. নাফিউজ্জামান ফারাজুল says:

    তুই বারবার DSA, সাইবার আইন নিয়ে কথা বলিস, কিন্তু যারা ধর্ম অবমাননা, রাষ্ট্রদ্রোহ, পর্ন ছড়ানো এসব করছে, তাদের ধরতে আইন লাগবে না? আল্লাহর নামে শপথ করে বলি, সব স্বাধীনতা হারামের পথ না; কিছু নিয়ন্ত্রণ শারিয়াতেও আছে।

  15. সালেহিনুর কাদের আরহামুল says:

    ভালো লাগলো তুমি সার্ভেইল্যান্স টেকনোলজির বিস্তার নিয়েও লিখেছ CCTV, ফেসিয়াল রিকগনিশন, ড্রোন, মোবাইল লোকেশন ট্র্যাকিং সবকিছুই পাবলিক সেফটি র নামে চালু হয়, কিন্তু বাস্তবে প্রোটেস্ট ট্র্যাক, অ্যাক্টিভিস্ট চিহ্নিত, সংখ্যালঘু নজরদারিতে ব্যবহৃত হয়।

  16. ইমদাদুল বারী সাইয়্যিদুল says:

    আল্লাহর আইনে গোপনীয়তা আছে, কিন্তু সেটা গুনাহ লুকানোর জন্য না। পাবলিক স্পেসে যে পাপ করছে, তাকে ধরা আল্লাহর হুকুম; তুই নিজের ব্যক্তিগত পাপকে রাইট টু প্রাইভেসি দিয়ে বৈধ বানাতে চাইছিস।

  17. তাবরিজুল ইসলাম মুজতাহিদুল says:

    তুমি যে মেটাডাটা সংগ্রহের বিষয়টা তুলেছ কল লগ, ব্রাউজিং হিস্ট্রি, লোকেশন ডেটা এগুলো কন্টেন্ট ছাড়াই একজন মানুষের পুরো জীবন, রুটিন, সম্পর্ক, পলিটিক্যাল ভিউ সব ম্যাপ করতে পারে। EFF, Access Now এর রিপোর্টও বলে, মেটাডাটাই আসল গোল্ডমাইন।

  18. শাওনুল করিম আরিয়ানুর says:

    কুত্তী রাণ্ডির বাচ্চা  তুই শুধু রাষ্ট্রকে দোষ দিস, কিন্তু ফেসবুক, গুগল, হোয়াটসঅ্যাপ এসবও তো সব ডেটা নিচ্ছে; ওদের নিয়ে তোর কোনো সমালোচনা নেই। মনে হয় তোর সমস্যা শুধু মুসলিম সরকার থাকলেই; পশ্চিমা টেক কোম্পানি যত খুশি নজরদারি করুক, তুই চুপ।

  19. তাওকীরুল হক নাফিসুজ্জামান says:

    ভালো হয়েছে তুমি data retention law নিয়েও লিখেছ টেলিকম কোম্পানিগুলোকে মাসের পর মাস কল রেকর্ড, SMS, ইন্টারনেট লগ রাখতে হয়; এই ডেটা পরে র‌্যাব, পুলিশ, গোয়েন্দা যে কেউ চাইলে access করতে পারে, কোনো judicial oversight ছাড়াই।

  20. ইমতিয়াজুর কাদের রাশিকুল says:

    তোর কাছে রাষ্ট্র মানেই জেলখানা, কিন্তু একজন নাগরিক হিসেবে আমরাও তো নিরাপত্তা চাই। টিকটকে কেউ আমার বাচ্চাকে টার্গেট করলে, কেউ আমার ছবি ডিপফেক করে পর্ন বানালে, তখন তো তুই নীরব; ওই সময় রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ চাইস না? তোর দুধ দুটো কেটে ফেলবো।

  21. সাইফুল ইসলাম তাশদীদুল says:

    তুমি স্পষ্ট দেখিয়েছ প্রাইভেসি লঙ্ঘন শুধু ডিজিটাল না; পুলিশের রেইড, ঘর তল্লাশি, মেডিক্যাল রেকর্ড দেখে ফেলা, ব্যাংক হিসাব ট্র্যাক সব কিছুতেই ওয়ার্যান্ট বা কোর্ট অর্ডার ছাড়াই চলে যাচ্ছে। UK, EU তে data protection, GDPR আছে; আমাদের দেশে কিছুই নেই।

  22. নোমানুর কাদের ইকরামুল says:

    তুই বারবার EU, UK এর উদাহরণ দিস, কিন্তু ওখানেও তো সরকার নজরদারি করে; শুধু ভালো আইন দিয়ে মুড়ে দেয়। পশ্চিমের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তো মুসলমানদের ওপরই বেশি নজর রাখে এটা তো তুই মানবি না, কারণ ওদের গায়ে হাত দিতে তোর সাহস নাই।

  23. মাহবুবুল করিম সাইফুল্লাহ says:

    ভালো লাগল যে তুমি biometric data র ঝুঁকি নিয়ে লিখেছ ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইরিস স্ক্যান, ফেসিয়াল ডেটা একবার লিক হলে আর পাল্টানো যায় না, পাসওয়ার্ডের মতো রিসেট নেই। NIST, Biometrics Institute এর গাইডলাইন থাকলেও বাংলাদেশে এনফোর্সমেন্ট জিরো।

  24. ইকরামুল হক তাওকীরুল says:

    কিন্তু তুই লিখিস না, যে মানুষগুলো নিজেদের সব কিছু ফেসবুকে, টিকটকে শেয়ার করে তাদের নিজেদের দায় কি নাই? রাষ্ট্র নজরদারি করার আগেই তো মানুষ নিজেরাই নিজের গোপনীয়তা বিক্রি করে দিচ্ছে ইনফ্লুয়েন্সার, লাইক, ভিউ এর জন্য।

  25. রাশেদুল করিম সাইদুর says:

    তুমি ঠিকই বলেছ সরকার বলে কিছু লুকানোর থাকলে ভয় কীসের? , কিন্তু সেই একই লজিক দিয়ে তো কোনো গোপনীয়তাই রাখা যায় না চিঠি, ডায়েরি, ডাক্তারের রিপোর্ট, প্রেমিকের মেসেজ সব কিছু দেখা যায়, কারণ লুকানোর কিছু নেই ।

  26. মাহবুবুল হক জুহায়ের says:

    তোর লেখায় ইসলামের গোপনীয়তার কনসেপ্ট নিয়ে একটা লাইনও নেই অথচ পরচর্চা নিষিদ্ধ , অন্যের দোষ খুঁজো না , দরজা বন্ধ থাকলে ঢুকো না এসব সরাসরি কুরআন সুন্নাহয়। তুই শুধু পশ্চিমা Privacy Act থেকে লিখিস, মুসলিম পাঠকদের কাছে তোর credibility তাই কম।

  27. ইমতিয়াজুল বারী ইয়াহইয়া says:

    ভালো হয়েছে তুমি encryption, VPN, end to end messaging এর ওপর রাষ্ট্রের চাপের কথাও এনেছ সরকার চায় সব মেসেজ, কল decrypt করার ব্যাকডোর; এতে সাধারণ মানুষের সিকিউরিটি ঝুঁকিতে পড়ে, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ আরও বাড়ে।

  28. তানভীরুর রহমান শাওকতুল says:

    তুই encryption নিয়ে এত চিন্তিত, কিন্তু টেররিস্ট, ড্রাগ ডিলার, চাইল্ড এক্সপ্লয়টাররা সেই একই encryption ব্যবহার করে অপরাধ লুকায় এটা নিয়ে তোর কোনো চিন্তা নেই। রাষ্ট্র কিছু নিয়ন্ত্রণ চাইলে তুই ফ্যাসিস্ট বলে চিৎকার করিস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *