৭ জানুয়ারি ২০২৪–এর সকালে ঢাকার আকাশটা অন্য সব ভোটের দিনের মতোই কুয়াশাচ্ছন্ন ছিল, কিন্তু বাতাসে ছিল এক অদ্ভুত শূন্যতা। স্কুল মাঠগুলোতে দড়ি টেনে ঘেরা কেন্দ্র, গেটে পুলিশ, ভেতরে সরকারের দল আর তাদের “স্বতন্ত্র” প্রার্থীদের পোস্টার, কিন্তু ভোটারের ভিড় নেই, যেন একটা নাটকের মঞ্চ দাঁড়িয়ে আছে, অভিনেতারা প্রস্তুত, শুধু দর্শকই আসেনি। নির্বাচন কমিশনের নিজের হিসাবে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২৭–২৮ শতাংশের মতো, পরে রাতের দিকে সে সংখ্যা “৪০ শতাংশের মতো” বলে ঘোষণা করা হল, ২০১৮ সালের ৮০ শতাংশের বেশি ভোটের পরিসংখ্যানের সামনে এই অঙ্কটা ছিল কঙ্কালের মতো কৃশ। দেশের সবচেয়ে বড় বিরোধী দল বিএনপি, তাদের প্রধান মিত্র দলগুলো, অনেক ছোট দল, সবাই আগেই ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন বর্জন করেছে, কারণ নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মানা হয়নি; হাজার হাজার নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, মামলা, হামলার মধ্যে তারা বুঝে গিয়েছিল, এই নির্বাচনে অংশ নেওয়া মানে কেবল বৈধতার সিল দিয়ে আসা।
টেলিভিশনের পর্দায়, সরকারি চ্যানেল থেকে শুরু করে “নিরপেক্ষ” বেসরকারি সবখানে একই ধরনের ফ্রেম, প্রধানমন্ত্রীর ভোট দেওয়ার ছবি, ভোটকেন্দ্রে আসা দু–একজন বয়স্ক মানুষ, কোথাও আবার হালকা লাইনে দাঁড়ানো সরকারি চাকুরে–নারী–ছাত্র, কিন্তু গলির বাস্তবতা ছিল অন্য। অনেক কেন্দ্রে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা লোকেরা সবাই “নৌকা” শার্ট–জ্যাকেট পরা কর্মী, অথবা তথাকথিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী, যারা আবার কম–বেশি সবাই ক্ষমতাসীন দলেরই লোক বলে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিশ্লেষকরা লিখেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক্সপার্ট মিশন, বিভিন্ন পর্যবেক্ষক, মানবাধিকার সংস্থা, সবাই একই ভাষায় বলল, এটা আসলে “competitive authoritarianism”–এর ক্ল্যাসিক উদাহরণ, যেখানে নির্বাচন আছে, কিন্তু প্রতিযোগিতা নেই; ব্যালট আছে, কিন্তু পছন্দ নেই।
এই নির্বাচনের আগের মাসগুলো ছিল এক নির্মম প্রস্তুতির সময়। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ধাক্কাটা স্পষ্ট, বিএনপি তাদের বৃহৎ সমাবেশ করে জোরালোভাবে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলল, তার পরই ঢাকায় সহিংসতা, বিস্ফোরণ, পুলিশের মৃত্যু, বাসে আগুন, এসব ঘটল, যার জন্য সরকার বিরোধীদের দায়ী করল, আর বিরোধীরা বলল, সবই সাজানো। কিন্তু মানবাধিকার সংস্থাগুলোর রিপোর্ট ভিন্ন ছবি আঁকল, প্রায় ১০,০০০ বিরোধী কর্মীকে গ্রেপ্তার, অন্তত ১৬ জন নিহত, ৫,৫০০–র বেশি আহত, পুলিশ–র্যাব আর শাসকদলের ক্যাডাররা একসঙ্গে মিছিল করে “বিএনপি–কে একজন একজন করে ধর, কেটে ফেল” স্লোগান দিয়েছে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা প্রকাশ্যে বললেন, “রাজনৈতিক সহিংসতা, নির্বিচার গ্রেপ্তার, নির্যাতন, মিডিয়া–দমন–এ সব মিলে নির্বাচনের পরিবেশই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।” এই ভয়ের আবহেই ৭ জানুয়ারির ভোট, কাগজে গণতন্ত্রের উৎসব, বাস্তবে মানুষের ঘরে লুকিয়ে থাকার দিন।
নিজের জীবনের দিকে তাকালে, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, এসব নির্বাচনের কিছু স্মৃতি এখনও স্পষ্ট। ছোটবেলায় দেখেছি, কীভাবে পাড়ার মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ থাকত, রাতের আড্ডায় লম্বা তর্ক, ভোটের দিন বাড়িতে ভোর থেকে ওঠা–বসা, দুপুরে পোলাও–মুরগি। ২০২৪–এর নির্বাচনে সেই আমেজ ছিল না; বরং প্রবাসে বসেও ফোন–মেসেজে যা শুনলাম, তাতে ছিল ভয়, “বাইরে যাস না”, “কোনো কেন্দ্রে বেশি দাঁড়াস না”, “পুলিশ–লীগের লোকজন রাস্তায়, জোর করে ভোট দিতে ডাকছে।” কারও বাবা–মা বাধ্য হয়ে কেন্দ্রে গেলেও তাদের গলায় সে পুরোনো গর্বের সুর ছিল না; ছিল ক্লান্তি আর হাল ছেড়ে দেওয়ার স্বর। যেন মাথার মধ্যে সবাই মেনে নিয়েছে, “যাক, ওরা আবার জিতল; আমরা শুধু ঝামেলা ছাড়া দিন কাটাই।”
একজন নাস্তিক, উভকামী, নারীবাদী হিসেবে এই একতরফা নির্বাচনের ব্যথাটা আরও অন্যরকমভাবে গায়ে লাগে। অনেকেই বলে, “তুমি তো আওয়ামী লীগকে সমালোচনা করো, বিএনপি–জামাতের বিরোধিতা করো, তাহলে একতরফা নির্বাচন তোমার তো ভালো লাগার কথা, তোমার ঘৃণিত দলগুলো তো দুর্বল হচ্ছে।” কিন্তু আসল বিষয় হল, যে কোনো দলকে ঘৃণা করলেও, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ভালবাসতে হয়, নইলে রাষ্ট্রটাই একদিন অস্তিত্ব হারায়। বিএনপি–জামায়াতের অপরাধ, ত্রুটি, ভুল, সবকিছু সত্ত্বেও তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে মানুষের ভোটের মাধ্যমে বিচার করার অধিকার নাগরিকের, কোনো শাসক–পরিবারের নয়। ৭ জানুয়ারির সেই ভোটের দিন শিখিয়েছে, গণতন্ত্রের coffin–এ শেষ পেরেকটা ঠুকতে খুব বেশি শব্দ লাগে না; একটু নীরবতা, একটু ক্লান্তি, একটু “যা হয় হোক” ভাব, আর কিছু কাগজে লেখা পরিসংখ্যানেই কাজ সার হয়ে যায়।
আওয়ামী লীগ চতুর্থ (বা আন্তর্জাতিক অনেক সূত্র অনুযায়ী পঞ্চম) মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরল, প্রায় তিন–চতুর্থাংশ আসনে জয় পেল, আর বাকি আসনের বড় অংশ গেল তথাকথিত “স্বতন্ত্র প্রার্থীদের” ঝুলিতে, যাদের অনেকেই ক্ষমতাসীন দলেরই বিদ্রোহী, অনুগত বা dummy ক্যান্ডিডেট। সংসদে কার্যকর বিরোধীদল নেই, মাঠে কোনো শক্তিশালী সাংগঠনিক বিকল্প নেই, মিডিয়ার উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ, সাইবার আইন মাথার ওপর ঝুলে আছে, এই বাস্তবতায় ৭ জানুয়ারি শুধু আর একটা নির্বাচন না, বরং আনুষ্ঠানিকভাবে একদলীয় আধিপত্যকে seal করা। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র–পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলো পর্যন্ত লিখছে, বাংলাদেশের নির্বাচন “in name only”, “widely boycotted”, “sham election”, “damaged democracy”, এইসব শব্দ এখন দেশের নামের সঙ্গে লেগে গেছে।
এই অবস্থায় আমার মতো মানুষের কাছে প্রশ্নগুলো খুব সোজা কিন্তু খুব কঠিন, আমরা কি সত্যিই আর নিজেদের গণতান্ত্রিক দেশ বলতে পারি? ভোটের দিন যদি মানুষ ঘরে বসে থাকে, রাজপথে শুধু পুলিশ আর শাসকদলের ক্যাডার হাঁটে, বিরোধী প্রার্থীর পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়, মাঠে নামার আগেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে ব্যালটে কালি দেওয়ার অর্থ কী? শুধু পরিসংখ্যানের খাতা ভরিয়ে রাখা, আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় “নির্বাচন হয়েছে” বলে চিঠি পাঠানোর সুবিধা? আর আমরা, যারা ভেতরে ভেতরে এই ভণ্ডামিটা বুঝি, কিন্তু ক্লান্তি–ভয়ে মুখ বন্ধ করে থাকি, আমরাও কি শেষ পেরেকটা ঠুকতে নীরব সহযোগী হয়ে উঠিনি?
কফিনের গায়ে শেষ পেরেক মানে এই না, যে কফিন আর খোলা যাবে না। ইতিহাস বলে, যে কোনো কর্তৃত্ববাদী শাসনই একসময় নিজেদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস আর দমনযন্ত্রের ওপর নির্ভরশীলতায় ভেঙে পড়ে। কিন্তু সেটার অপেক্ষায় বসে থাকা মানেই আসলে গণতন্ত্রকে মৃত ঘোষণার পরেও ICU–তে রেখে দেওয়া। ৭ জানুয়ারির সেই একতরফা নির্বাচনের কথা মনে রাখার কাজটা তাই শুধু বিরোধী দলের না, শুধু পশ্চিমা বিশ্লেষকেরও না; এটা আমাদের প্রত্যেকের, যাতে পরেরবার কেউ “সমঝোতার গণতন্ত্র”, “উন্নয়নের স্বার্থে স্থিতিশীলতা”, “বর্জনের রাজনীতি”, এসব শব্দ দিয়ে আরেকটা mock election সাজাতে চাইলে আমরা চিনে ফেলতে পারি।
এই লেখাটা তাই কোনো দল–বদলের আহ্বান না; এটা আসলে এক জিজ্ঞাসা, নিজেদের দেশকে আমরা কি সত্যিই এতটাই কম ভালোবাসি যে, ভোটের অধিকার, প্রতিদ্বন্দ্বিতার অধিকার, ভিন্নমতের অস্তিত্বকে এভাবে কফিনে ভরে মাটি চাপা দিতে দিচ্ছি? যদি উত্তর না হয়, তাহলে ৭ জানুয়ারি ২০২৪–এর দিনটাকে আমাদের স্মৃতিতে গেঁথে রাখা দরকার, গণতন্ত্রের কফিনে শেষ যে পেরেকটা ঠুকেছিল, সেই আওয়াজ যেন আমাদের ঘুম ভাঙিয়ে দেয়, আবার নতুন করে শোকের বদলে প্রতিরোধের ভাষা খুঁজে নিতে শিখিয়ে দেয়।
38 Responses
আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে আপনি গণতন্ত্রের নামে অরাজকতা চান। ইসলামী শাসনব্যবস্থাই সর্বোত্তম, গণতন্ত্র পশ্চিমা ষড়যন্ত্র মাত্র।
চমৎকার বিশ্লেষণ। সত্যিই আমাদের গণতন্ত্র এখন শুধু নামেই আছে। কিন্তু কেউ সত্য বলার সাহস পাচ্ছে না।
নাস্তিক কুত্তি! তোর মতো লোকেরাই দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। গণতন্ত্রের নামে তুমি আসলে ইসলামকে আক্রমণ করতে চাও।
আপনার কথায় সত্যতা আছে। কিন্তু সমস্যা হলো, আমাদের রাজনীতিবিদরা গণতন্ত্র বোঝে না, তারা শুধু ক্ষমতা চায়।
তুমি হিন্দু ছিলে, এখন নাস্তিক। তোমার কোনো নৈতিক ভিত্তি নেই। তুমি কীভাবে আমাদের দেশের রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করার সাহস পাও?
গণতন্ত্র মানে শুধু ভোট নয়, গণতন্ত্র মানে মত প্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন। কিন্তু আমাদের দেশে এগুলো কোথায়?
পশ্চিমা দালাল! এনজিওর টাকায় লেখালেখি করে দেশকে ধ্বংস করতে চাও।
অসাধারণ লেখা। আপনি যা বলেছেন তা সবাই জানে, কিন্তু বলার সাহস কারো নেই। আপনার সাহসিকতার জন্য ধন্যবাদ।
গণতন্ত্র হারাম! ইসলামে খিলাফত ব্যবস্থা আছে, সেটাই আমাদের অনুসরণ করা উচিত। তুমি কাফের, তোমার কথার কোনো মূল্য নেই।
দেশে শরিয়া আইন চালু হলে তোর মতো নাস্তিকদের শাস্তি হবে। অপেক্ষা করো সেই দিনের।
আপনার পয়েন্ট ভালো, কিন্তু সমাধান কী? শুধু সমালোচনা করলেই তো হবে না।
গণতন্ত্র মানে সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন। আমরা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ, তাহলে ইসলামী আইন থাকবে এটাই স্বাভাবিক।
অশ্লীলতার রাণী! তুমি শুধু হিন্দু-নাস্তিক এজেন্ডা চালাচ্ছো। মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিষ ছড়ানো তোমার কাজ।
একদম সঠিক বলেছেন। আমাদের গণতন্ত্র এখন শুধুই একটা প্রহসন। নির্বাচন মানেই জালিয়াতি, আইনের শাসন মানেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।
তুমি কি মনে করো পশ্চিমা গণতন্ত্র আমাদের জন্য? তারা তো মুসলমানদের শত্রু। আমাদের নিজস্ব ব্যবস্থা দরকার।
আপনার বিশ্লেষণ খুবই যুক্তিপূর্ণ। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই দেশে যুক্তির কোনো দাম নেই, আছে শুধু ক্ষমতা আর জোর।
তোর মতো নারীরা যখন বেপর্দা হয়ে ঘুরে বেড়াও, তখনই সমাজে অনৈতিকতা বাড়ে। পর্দা করো, তাহলে গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলো।
গণতন্ত্রের জন্য জনগণের সচেতনতা দরকার। কিন্তু আমাদের দেশে শিক্ষিত মানুষও ধর্মান্ধ। তাহলে গণতন্ত্র আসবে কীভাবে?
তুমি নাস্তিক, তোমার কোনো নৈতিকতা নেই। নাস্তিকরা সবচেয়ে বড় ফ্যাসিস্ট।
আপনার লেখা পড়ে মনে হয় এই দেশে এখনো কিছু মানুষ আছে যারা চিন্তা করে। কিন্তু আমরা সংখ্যায় কম।
গণতন্ত্র নয়, ইসলামী শাসনই আমাদের মুক্তি। তুমি এটা কখনো বুঝবে না কারণ তুমি কাফের।
তোর লেখা পড়ে বোঝা যায় তুই ভারতের এজেন্ট।
সত্য কথা বলার জন্য সাহস লাগে, আর আপনার সেই সাহস আছে। কিন্তু সাবধান থাকবেন, মৌলবাদীরা ছাড়বে না।
কফিনে পেরেক ঠুকছে কারা? যারা ইসলামকে আক্রমণ করছে তারাই। তুমি তাদের একজন।
ইসলামে নারীর কথা বলার অধিকার নেই। তুমি একজন নারী হয়ে এত বড় বড় কথা বলছো কেন?
চমৎকার বিশ্লেষণ। গণতন্ত্র এখন শুধু একটা শব্দ, বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। আর যারা সত্য বলে তাদের নাস্তিক, এজেন্ট বলে গালি দেওয়া হয়।
তুমি কোরআন পড়েছো? ইসলাম সম্পর্কে না জেনে কথা বলো না।
তোর মতো বেশ্যারা যখন দেশে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষ ছড়ায়, তখন আল্লাহর গজব আসে। দেখে নাও তোর পরিণতি কী হয়।
আপনার কথা শতভাগ সঠিক। কিন্তু সমস্যা হলো, আমাদের দেশের মানুষ গণতন্ত্র চায় না, তারা চায় একনায়কতন্ত্র যদি সেটা তাদের পছন্দের হয়।
তোর লেখা শুধু মুসলমানদের বিরুদ্ধে। তুই কখনো হিন্দুদের বা বৌদ্ধদের সমালোচনা করিস না কেন?
আল্লাহ তোকে জাহান্নামে পাঠাবে। তোর মতো নাস্তিকদের জন্য সেখানে বিশেষ শাস্তি আছে।
গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে মানুষকে শিক্ষিত করতে হবে, সচেতন করতে হবে। কিন্তু ক্ষমতাসীনরা তো চায় মানুষ অশিক্ষিত থাকুক।
ইসলাম সম্পর্কে না জেনে যারা মন্তব্য করে তারা মূর্খ। তুমি একজন মূর্খ নাস্তিক।
তুমি নারী হয়ে এত সাহস কোথা থেকে পাও?
অসাধারণ লেখা। গণতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকা হয়ে গেছে, এখন শুধু দাফন বাকি।
তুমি যদি এই দেশ পছন্দ করো না, তাহলে চলে যাও। কেউ তোমাকে জোর করে রাখছে না।
পশ্চিমা গণতন্ত্র আমাদের জন্য নয়। আমাদের ইসলামী শাসনব্যবস্থা দরকার।
সত্য কথা বলার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু এই দেশে সত্য বলা মানেই বিপদ ডেকে আনা।